১৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৬ পি.এম

আশুলিয়ায় স্কুলছাত্রী অপহরণের মামলায় এনসিপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

আশুলিয়ায় স্কুলছাত্রী অপহরণের মামলায় এনসিপি নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা জেলা উত্তরের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুর ইসলাম সানভী ও নাজিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার প্রধান আসামি শাকিল (২৩) এখনো পলাতক রয়েছেন। 

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। 

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ১৬ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী আশুলিয়ার কন্ডা এলাকার বাসিন্দা। তিনি সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মামলার প্রধান আসামি শাকিল তাদের প্রতিবেশী। তার বিরুদ্ধে স্কুলে যাতায়াতের সময় ওই ছাত্রীকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ রয়েছে। 

মামলার বাদী ও ভুক্তভোগীর মা আরিফা আক্তার জানান, গত ১০ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে তিনি মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে বাড়ি ফিরে যান। পরে দুপুর সোয়া ২টার দিকে মেয়েকে আনতে স্কুলে গিয়ে জানতে পারেন, সে সেখানে নেই। পরে মেয়ের বান্ধবীদের কাছ থেকে জানতে পারেন, দুপুর ২টার দিকে নবীনগর এলাকায় স্কুলের সামনে থেকে শাকিল ও তার সহযোগীরা ফুসলিয়ে তাকে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। 

পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও মেয়েটির সন্ধান না পেয়ে মঙ্গলবার আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে অভিযোগটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। 

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করে তদন্ত শুরু করা হয়। তদন্তে তৌহিদুর ইসলাম সানভী ও নাজিমের সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার পর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। 

ওসি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি শাকিলকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 


ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। মামলার অভিযোগ ও পুলিশের বক্তব্যের ভিত্তিতে সংবাদটি লেখা হয়েছে; আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।