আর্কাইভ
logo
ads

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

প্রত্যর্পণ অনুরোধের বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে; ২০১৩ সালের চুক্তি ও ভারতীয় আইনের আলোকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশকাল: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০৬ পি.এম
শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ভারতের সরকার নয়, দেশটির বিচার বিভাগ ও আদালত নিতে পারে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

রোববার (১৬ আগস্ট) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি ভারতীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানায়, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে হস্তান্তরের বিষয়টি রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের পরিবর্তে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিষ্পত্তি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে যেসব অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো ভারতের আইনেও অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত কি না, তা যাচাই করা হবে।

এক ভারতীয় কর্মকর্তার বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের বিষয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। অপর এক কর্মকর্তা জানান, শেখ হাসিনা চলতি বছরের ডিসেম্বর দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তবে তার প্রত্যর্পণের অনুরোধকে বাংলাদেশ ও ভারতের চলমান কূটনৈতিক আলোচনার বাইরে দেখার সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ ২০১৩ সালের বাংলাদেশ-ভারত বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় প্রয়োজনীয় আইনি নথিপত্র সংযুক্ত করে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে। চুক্তিতে অভিযুক্ত, দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি বা আদালতের সাজা কার্যকরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যক্তিকে প্রত্যর্পণের বিধান রয়েছে।

তবে ওই চুক্তিতে রাজনৈতিক প্রকৃতির অপরাধ প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে বিবেচনা না করার বিধান রয়েছে। একই সঙ্গে হত্যা, অনিচ্ছাকৃত নরহত্যা, হামলা, আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার ও হত্যায় প্ররোচনার মতো কয়েকটি অপরাধকে রাজনৈতিক অপরাধ হিসেবে গণ্য না করার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া ভারতের ১৯৬২ সালের প্রত্যর্পণ আইনের বিধানও এ প্রক্রিয়ায় প্রাসঙ্গিক হতে পারে। ওই আইনের আওতায় প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ নোডাল ভূমিকা পালন করে এবং প্রয়োজন মনে করলে বিষয়টি তদন্তের জন্য ইনকোয়ারি ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সুযোগ রয়েছে।

এর আগে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধ নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এই বিভাগের আরও খবর

NBB

NBB

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ