আর্কাইভ
logo
ads

নিউরোসায়েন্স হাসপাতাল

নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন শনিবার

১৫ তলা নতুন ভবন চালু হলে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের মোট শয্যা সংখ্যা বেড়ে হবে ১ হাজার।

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশকাল: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৪৪ পি.এম
নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন শনিবার

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের নবনির্মিত ভবন।

ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে (নিনস) ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করা হবে শনিবার (১৫ আগস্ট)। সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভবনটির উদ্বোধন করবেন বলে হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। 

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে এবং অধিকাংশ চিকিৎসা সরঞ্জামও স্থাপন করা হয়েছে। ভবনটি চালু হলে হাসপাতালের মোট শয্যা সংখ্যা ১ হাজারে উন্নীত হবে। এতে স্নায়ুরোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা আরও বাড়বে।

নবনির্মিত ভবনটি ১৫ তলা। এর তিনটি তলা বেজমেন্ট হিসেবে রাখা হয়েছে, যেখানে পার্কিং ও সার্ভিস সেকশনের ব্যবস্থা রয়েছে। ওপরের ১২ তলায় ওয়ার্ড, অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক ইউনিট রয়েছে।

নতুন ভবনে ৪০ শয্যার আইসিইউ, ২০ শয্যার এইচডিইউ, ৬২টি ভেন্টিলেটর, একটি ক্যাথল্যাব, দুটি এমআরআই ও দুটি সিটি স্ক্যান মেশিনের ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করার জন্য অটোক্লেভ মেশিন, চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সলিড ওয়েস্ট ডিসপোজাল সিস্টেম এবং পৃথক অক্সিজেন প্ল্যান্টও রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ভবনটিতে সড়ক দুর্ঘটনা, ওপর থেকে পড়ে যাওয়া কিংবা অন্যান্য দুর্ঘটনায় মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডে আঘাতপ্রাপ্ত রোগীদের জন্য ১০০ শয্যার বিশেষায়িত ট্রমা ইউনিট রয়েছে। সেখানে ২৪ ঘণ্টা অস্ত্রোপচারের সুবিধা থাকবে। চারটি অপারেশন থিয়েটারের মধ্যে দুটি মডুলার অপারেশন থিয়েটার রয়েছে।

হাসপাতালের চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এখানে সবচেয়ে বেশি চিকিৎসা নিতে আসেন স্ট্রোকের রোগীরা। এছাড়া মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডে আঘাতপ্রাপ্ত দুর্ঘটনার রোগী, পার্কিনসন্স, ডিমেনশিয়া, গিলিয়ান-বারে সিনড্রোম (জিবিএস), মৃগী ও হাইড্রোকেফালাসসহ বিভিন্ন স্নায়ুরোগে আক্রান্ত রোগীরাও চিকিৎসা নেন।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান খান বলেন, নতুন ভবন চালু হলে আরও ৫০০ রোগীর চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি হবে। বর্তমানে শয্যাসংকটের কারণে অনেক রোগীকে ভর্তি করা সম্ভব হয় না। নতুন ভবন চালু হলে এই চাপ কমবে এবং আরও বেশি রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হবে।

হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন ভবনে রোগী স্থানান্তরের সুবিধায় এক থেকে তিনতলা পর্যন্ত চলন্ত সিঁড়ি (এসকেলেটর) রয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক চিকিৎসা ও রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে।

 

এই বিভাগের আরও খবর

NBB

NBB

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ